গোপালগঞ্জ সদরের প্রধান কাঁচাবাজার নিয়ে আসা হয়েছে।

 প্রকাশ: ১০ জুন ২০২০, ১১:৪৭ অপরাহ্ন   |   গোপালগঞ্জ সদর


পয়েন্ট-১ 

শেখ রাসেল শিশুপার্ক সংলগ্ন বালুর মাঠ নামে পরিচিত এক ফাঁকা জায়গায়। খুবই ভাল উদ্যোগ।

তবে বাজারে যত যানবাহন আসে সেগুলো সোজা পথে বিসিক ব্রিজ হয়ে পার হতে হয় এছাড়া উপায় নেই। তবে ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার বেহাল দশা যার কারনে প্রচন্ড পরিমানে ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হচ্ছে।



পয়েন্ট-২ 

শহরের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। 

লোক সমাগম কমানোর জন্যই মূলত এই পুলিশ চেকপোস্ট। 


চেকপোষ্টগুলো মূলত কয়েকটা জায়গায় দেয়া হয়েছে। আর সেগুলো হলো বাজার ব্রিজের দুই পাশে।  

লঞ্চঘাট ব্রিজ, পাঁচুড়িয়া আর কোথাও আছে কিনা আমি জানি না। 


এখন কেউ যদি বিসিক কিংবা মৌলভীপাড়া বা এই আশে পাশের এলাকাগুলো থেকে পূর্বের বাজার এলাকার ক্রস করে অন্য কোথাও যেতে চায় তাহলে তার বিপত্তি এসে বাঁধবে এইখানেই। সোজা পথে যেখানে তার কলেজে/পোষ্টঅফিসে যেতে ২/৩ মিনিট লাগত, পাঁচুড়িয়া যেতে ৫ মিনিট লাগত সে সমস্ত জায়গায় এখন ঘুরে যাওয়া লাগছে আর তাও আবার শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌরঙ্গী হয়ে! 

আর আমার বিপত্তি সময় নয় এই চৌরঙ্গী নিয়ে, এমনিতেই এখানে সব সময় জনসমাগম লেগেই থাকে, সেখানে শহরের প্রধান সড়ক আটকে এইরকম সরুরাস্তার ভিতর যানবাহন ঠেলে দিয়ে কি রকমের করোনা প্রতিরোধ করা হচ্ছে,জানি না! 


তেমনিভাবে কেউ যদি পাঁচুড়িয়া থেকে চৌরঙ্গী আসতে চায় তাকে প্রধান সড়ক ছেড়ে ভিন্ন পথে আসতে হচ্ছে! 


লঞ্চঘাট ব্রিজ দিয়ে জেলখানার আশেপাশের এলাকার মানুষ চৌরঙ্গী কিংবা আশে পাশের এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে কিন্তু ফেরার সময় পাঁচুড়িয়া ব্রিজ দিয়ে ঘুরে সেই লঞ্চঘাট ব্রিজের কাছে আসতেই হবে!


যে ছবি দেওয়া হয়েছে সেখানে হেটে চলা মানুষের চাইতে যানবাহনের পরিমাণ বেশি! তাহলে প্রধান সড়ক আটকে চৌরঙ্গীর মত জনসমাগম এলাকায় যানবাহন প্রবেশ করিয়ে আমরা কতটুকু উপকৃত হচ্ছি? যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

আমরা রেডজোনে আছি, আপনাদের সৃজনশীল ও যুগোপযোগী পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা সকল ধরনের দুর্যোগ কাটিয়ে উঠব বলে আশাবাদী।