শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্যে দিয়ে আমরা দেখতে পেয়েছি গনতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে, স্বাধীনতা অর্থবহ হয়েছে---- আশরাফুল আলম লিটন

 প্রকাশ: ১২ জুন ২০২২, ১২:৪৩ অপরাহ্ন   |   রাজনীতি



মনা,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধিঃ

যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর সভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন, যে মানুষটি মুক্ত হলে মুক্ত হয় স্বদেশ, যে মানুষটি মুক্ত হলে মুক্ত হয় আমাদের ভুমি, যে মানুষটি মুক্তি হলে আনন্দে ভেষে উঠে আমাদের প্রকৃতি। সে মানুষটি হলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্যে দিয়ে আমরা দেখতে পেয়েছি গনতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে, স্বাধীনতা অর্থবহ হয়েছে। আজ মুক্তিযোদ্ধারা সন্মান ফিরে পেয়েছে। আমাদের বয়স্করা বয়স্ক ভাতা পেয়েছে। আজ সকল শ্রেনী পেশার মানুষকে নিরাপত্তার বেষ্টনীর মধ্যে এনেছে। কথাগুলো বললেন বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয়ে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলে যাশোর জেলা আওয়ামীলীগের য্গ্মু সাধারন সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন।


শনিবার বিকাল ৫ টার সময় বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামু্িক্ত দিবসে সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ইলিয়াছ আযম।


প্রধান অতিথি সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দুই ভাবে দেখি। জেল খানায় যাওয়ার আগের জননেত্রী আর জেল খানার পরের জননেত্রী। আমি দীর্ঘ জেল খানার থাকার সময় একজন পুর্ন জননেত্রীকে দেখেছি। এত সুচারু দৃষ্টি ভঙ্গি এবং রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ২০২১, ২০৪১ এবং ১০০ বছর পরে একটি প্রকল্প তিনি করেছিলেন যে কি কি করলে দেশকে কি ভাবে উন্নত সমৃদ্ধ করা যায় তা তিনি জেল খানায় বসে চিন্তা করেছে। তিনি সময় নষ্ট করেনি। তিনি সেই রুপ রেখা তৈরী করে আজ দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করছে তার সেই স্বপ্নই আজ স্বদেশ এগিয়ে চলেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা এত দুর দৃষ্ট সম্পন্ন একজন রাষ্ট্র নায়ক এত দুরদৃষ্ট সম্পন্ন একজন পার্টির সভানেত্রী এবং জাতির পিতার রক্তের উত্তারোধিকার। যার চিন্তা চেতনা মননে কর্মে এই ভুমি এই প্রকৃতি এই মানুষ । সেই মানুষটি কি স্বপ্নের কথা বলে কি স্বপ্ন দেখে তা আপনারা দেখতে পারছেন। আজ তারই প্রচেষ্টায় আজ বিদ্যুতে স্বয়ং সম্পুর্ন হয়েছে। এই অন্ধাকার ভুমিকে তিনি আলোকিত করেছেন। একটি দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে বিদ্যুৎ। সেই বিদ্যুতের জন্য তিনি কাজ করে আজ মানুষকে আলোকিত করেছে। ২০৩০ এবং ২০৪১ সালে কি হবে তা আপনারা দেখতে পারছেন।


তিন্ িআরো বলেন,কারামুক্তির দিন থেকে মুক্ত হয়েছে আমাদের অর্থনিতী,মুক্ত হয়েছে অন্যায় অত্যাচার জুলুম । প্রত্যেকটা জিনিস আজ মুক্ত। আজ বাংলাদেশ যদি ৭৫ পরবর্তীতে এই ভাবে পরিচালিত হতো তাহলে আজ বাংলাদেশ এগিয়ে যেত উন্নত বিশ্বের রাষ্ট্রর মত একটি রাষ্ট্র হিসাবে। আর মাত্র ১০ বছর এদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত হলে এদেশ হবে সিঙ্গাপুর মালায়েশিয়া। জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে কোন স্বপ্ন স্বপ্ন নয় তার সকল স্বপ্ন বাস্তব। আমাদের দেশের মানুষ পরিশ্রমি। কারন এদেশকে আর পিছিয়ে রাখা যাবে না। তবে দুর্ভাগ্য আমাদের যারা উন্নয়নকে দেখতে পারে না। তারা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। তারা সমালোচনা আলোচনা করবে। জাতির জনকের কন্যা সকল ষড়যন্ত্রকে উপো করে আজ এগিযে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আজ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে অন্য দল থেকে এসে যারা প্রকৃত আওয়ামীলীগ এর নেতা কর্মীদের অত্যাচার জুলুম করছে তাদের ও বাছাই করা হচ্ছে। আজ শার্শায় ও এরকম ত্যাগী আওয়ামী নেতা কর্মীরা জিম্মি দশায় আছে তাদেরও পরিত্রান পাওয়ার জন্য জননেত্রীর কাছে আহবান জানাচ্ছি।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আহসান উল্লাহ মাষ্টার, শার্শা উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শেখ সারোয়ার, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক খোদাবক্স, বেনাপোল পৌর আওয়ামী নেতা মোজাফফার হোসেন, মতিয়ার রহমান মধূ যশোর জেলা আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের কার্যকরি সদস্য জাকির হোসেন আলম প্রমুখ।

রাজনীতি এর আরও খবর: