কয়রাকে পৌরসভা করার প্রতিশ্রুতি দিলেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী
খুলনার উপকূলীয় জনপদ কয়রাকে একটি আধুনিক, নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন, টেকসই ও মানসম্মত পৌরসভায় রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী, খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক এবং খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর মহারাজপুর ইউনিয়ন এবং কয়রা সদর ইউনিয়ন আয়োজিত পৃথক পৃথক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।
নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয়ের মাধ্যমে কয়রায় আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন বাস্তবায়নে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবো।
বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, কয়রাবাসী দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। মৌলিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত না হওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। এই বাস্তবতায় কয়রাকে পৌরসভায় উন্নীত করাই হবে তার প্রথম কাজ। পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা ছাড়া উপকূলীয় এই জনপদের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। সুপেয় পানির সংকট, স্বাস্থ্যসেবার অভাব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও স্যানিটেশন সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হলে পৌরসভা গঠন এখন সময়ের দাবি।
জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজাউদ্দীন আহমেদ, কয়রা সদর ইউনিয়ন আমীর জি এম মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মোল্লা নুরুজ্জামান, মহারাজপুর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আবু তাহের, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাষ্টার সাইফুল্লাহ হাইদার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা জেলা দক্ষিণ সভাপতি আবু জার গিফারী প্রমুখ।
অনুষ্ঠিত এসব নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের অর্ধ সহস্রাধিক নেতাকর্মী সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মহারাজপুর ও কয়রা ইউনিয়নে জনসভা শেষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী মিছিল উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামায়াতে ইসলামীর নিজস্ব কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
