মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাচনে প্রচার প্রচারনায় এগিয়ে আবুল কাশেম রাজ

 প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৫৮ অপরাহ্ন   |   মুকসুদপুর



 আওয়ামী লীগের ত্যাগী, পরিশ্রমী এবং রাজপথের আন্দোলনের সক্রিয় নেতা আবুল কাশেম রাজ। ছাত্রাবস্থা থেকে সক্রিয় রয়েছেন আওয়ামী ছাত্র রাজনীতিতে। পরবর্তীতে তিনি যুবলীগ ও বর্তমানে আওয়ামী রাজনীতির একজন সক্রিয়কর্মী। মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার প্রত্যাশা করছেন আবুল কাশেম রাজ। তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। দল যদি তাকে এবার মনোনয়ন কিংবা সমর্থন  তরলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়ে প্রিয় নেতা মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি এবং গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী চেতনায় চেয়ারম্যান পদটি উপহার দিতে সক্ষম হবেন। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপকভাবে সভা,সমাবেশ, মিছিল, মিটিং, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সামাজিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন জায়গায় সম্ভাব্যহারে উপস্থিত হচ্ছেন।  সাধারণ মানুষের সাথে মিশে নির্বাচনী প্রচারনণ চালাচ্ছেন।  ইতোমধ্যে নির্বাচন সামনে রেখে পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল, শতাধিক মাইক্রোবাস ও প্রায় অর্ধশত মিনি ট্রাক নিয়ে শোডাউন দিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাশেম রাজ। ৮ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার খান্দারপাড়া ইউনিয়নের শিমুলতলা বাজার এলাকা থেকে এ শোডাউন শুরু হয়। পরে শোডাউনটি উপজেলাব্যাপী সকল গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। এসময় তার সাথে প্রায় ১০ হাজার লোক শোডাউনে অংশ নেয়।


১৯৮৫ সালের ১ জুলাই মুকসুদপুর উপজেলার খান্দারপাড়া ইউনিয়নের গোপ্তরগাতী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন আবুল কাশেম রাজ। তার পিতা মরহুম মতিয়ার রহমান নান্নু মাষ্টার ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আবুল কাশেম রাজ  ২০০১ এসএসসি ২০০৪ উচ্চ মাধ্যমিক, ২০১১ বিএ , ২০১৪ এমবিএ , ২০১৮ এলএলবি পাশ করেন তিনি। ব্যক্তি জীবনে তিনি স্ত্রী, ২ সন্তানের জনক। এরই মধ্যে ২০১৩ ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি রাজনীতির মাঠেও সরব আবুল কাশেম রাজ।


তিনি উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত হতে পারলে  আদর্শ স্মার্ট উপজেলায় পরিণত করবেন। তিনি জানান নির্বাচিত হওয়ার ১ মাসের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি বিষয় পদক্ষেপসহ যানজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এলাকায় বেকারত্ব দূরীকরণে যাবতীয় বাস্তবমুখী ব্যবস্থা নিবেন। উপজেলায় সুস্থ বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলাসহ সকল দুর্ভোগ থেকে  মুক্ত করে সুযোগ সুবিধাসহ নাগরিক সুবিধা পূর্ণতা দেতে সচেষ্ট থাকবেন। বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে তিনিই দলীয় মনোনয়ন বা সমর্থন পেতে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, যুবলীগ, মৎস লীগ, মহিলা লীগ, ছাত্রলীগসহ সকল স্তরের নেতা কর্মীর অকুন্ঠ সমর্থন এবং দোয়া কামনা করেন। তিনি এলাকার উন্নয়নের রূপকার মুহাম্মদ ফারুক খান এমপির সকল প্রকার দিক নির্দেশনা শতভাগ পালন করে নেতা মুহাম্মদ ফারুক খান এমপির ছাঁয়াতলে থেকে রাজনীতি করে যেতে চান। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তিনি আমাকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দলীয় সর্মথন দিবেন। যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, সেহেতু মাননীয় মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি’র দোয়া নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।

মুকসুদপুর এর আরও খবর: