মুকসুদপুরে কাশালিয়া নতুন বাজার হয়ে গোয়ালগ্রাম পর্যন্ত ইটের রাস্তাটি চলাচলে অনুপযোগী হওয়ায় কয়েকটি গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

 প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২১, ০৩:০৪ অপরাহ্ন   |   মুকসুদপুর



কাজী ওহিদুল ইসলাম -

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কাশালিয়া  নতুন বাজার হয়ে গোয়ালগ্রাম পর্যন্ত ইটের রাস্তাটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।রাস্তার অধিকাংশ স্থানে ইট উঠে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে

। দীর্ঘদিন মেরামত না করায় এই ইটের রাস্তাটি এখন মানুষের দূর্ভোগ হয়ে দাড়িয়েছে। এতে করে 

ভোগান্তিতে পড়ছে কয়েক গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। গোয়ালগ্রাম, বেদগ্রাম, চকসিং, টুমরাইল ও নয়াকান্দি গ্রামের  মানুষের কাশালিয়া জলিরপাড় হাট-বাজারে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এই রাস্তাটি।

স্থানীয়দের দাবি রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে রাস্তাটি সংস্কার এবং কার্পেটিং করার জন্য কয়েকবার এলাকাবাসী দাবি করেও কোন সুফল হয়নি বলে জানান।

ভুক্তভোগি এলাকাবাসী জানান, প্রায় ৮ বছর আগে এই রাস্তাটি নির্মিত হয়েছে। কয়েক বছর যাবৎ

 এই রাস্তার খুব খারাপ অবস্থায় বা  বেহাল দশা

পরিনত হয়েছে। প্রতি দিন স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়া করতে দারুন সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। রাস্তার এই দুরাবস্থা হওয়ার পর কোন প্রকার সংস্করনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দা মশি বিশ্বাস জানান, এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ  চলাচল করে থাকে। সড়কটির দীর্ঘ বছর সংস্কার বা উন্নয়ন না করায় রাস্তার ইট খুলে পড়েছে এবং ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারেনা। ঝুকি নিয়ে দুই/ একটি যানবাহন চলতে গেলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। মানুষ পায়ে হেটে চলাচল করতে গিয়েও হোচট খেয়ে পড়ে শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জমির উৎপাদিত পন্য পরিবহন ও বাজারজাত করতে কয়েক গ্রামের কৃষকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের কাছে রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার এবং কার্পেটিং করার দাবি জানান। স্থানীয় ৯ ওয়ার্ডের ইউ,পি সদস্য সুধাংশু বৈরাগী বলেন, কাশালিয়া নতুন বাজার হয়ে গোয়ালগ্রাম পর্যন্ত আমাদের এই রাস্তাটির বেহাল দশা দেখে আমাদের খুবই দুঃখ হয়। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে এ রাস্তাটি সংস্কারের জোর দাবি করছি।

এব্যাপারে দৈনিক ভোরের কাগজের মুকসুদপুর উপজেলা প্রতিনিধি কাজী ওহিদ সহ স্থানীয় সাংবাদিকরা মুকসুদপুর উপজেলা প্রকৌশলী সজল কুমার দত্তের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রাস্তায় ৭টি ব্রীজ নির্মান করতে হবে। বর্তমানে ৫টির কাজ চলমান রয়েছে, আর বাকী ২টির কাজ করার প্রস্তুতি চলছে। ব্রীজগুলোর কাজ সম্পন্ন হলেই রাস্তাটির সংস্কার এবং কার্পেটিং এর কাজ দ্রুত শুরু হবে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গোপালগঞ্জ -১  (মুকসুদপুর কাশিয়ানী এলাকার) আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফারুখ খান মহোদয় এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার ও কার্পেটিং করার জন্য উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশনা প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে।

মুকসুদপুর এর আরও খবর: